শীতে কী ধরনের পোশাক পরবেন — আরাম ও স্টাইলের সম্পূর্ণ গাইড
শীত এলেই আমাদের পোশাকেও আসে পরিবর্তন। সঠিক পোশাক শুধু ঠান্ডা থেকে বাঁচায় না—বরং আপনাকে করে তোলে স্টাইলিশ ও আত্মবিশ্বাসী। কিন্তু অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না, শীতে কোন ধরনের ড্রেস সবচেয়ে উপযোগী। চলুন জেনে নেওয়া যাক—শীতে কী ধরনের পোশাক পরলে আরাম ও স্টাইল দুটোই বজায় থাকে।
লেয়ারিং: শীতে পোশাক পরার সেরা কৌশল
শীতে একটির ওপর আরেকটি পোশাক পরাকে বলা হয় লেয়ারিং। এতে শরীর উষ্ণ থাকে এবং তাপমাত্রা বাড়লে সহজেই একটি স্তর খুলে ফেলা যায়।
ভিতরের লেয়ার
এটি তাপ ধরে রাখে ও ঘাম শোষে।
-
থার্মাল, তুলো বা উলের পাতলা পোশাক
-
খুব টাইট নয়—আরামদায়ক হওয়া জরুরি
মাঝের লেয়ার
শরীরের উষ্ণতা ধরে রাখে।
-
সোয়েটার, কার্ডিগান, ফ্লিস, হুডি
-
অতিরিক্ত ভারী পোশাক এড়িয়ে চলুন
বাইরের লেয়ার
বাতাস ও ঠান্ডা থেকে সুরক্ষা দেয়।
-
জ্যাকেট, কোট, উইন্ডব্রেকার, ট্রেঞ্চ কোট
-
জলরোধী ও টেকসই হলে ভালো
পুরুষদের শীতকালীন পোশাক
-
ফুলহাতা টি-শার্ট + সোয়েটার
-
উপর দিয়ে জ্যাকেট বা লং কোট
-
জিন্স বা কটন প্যান্ট
-
গরম মোজা, স্নিকার বা বুট
নারীদের শীতকালীন পোশাক
-
টার্টল নেক বা টপ + কার্ডিগান/শাল
-
লং কোট বা হুডি
-
জিন্স/লেগিংস + বুট
-
স্কার্ফ বা স্টোল—সুরক্ষা ও স্টাইল দুটোই
শিশুদের শীতকালীন পোশাক
শিশুদের বেশি ভারী পোশাক পরাবেন না।
-
হালকা কিন্তু উষ্ণ থার্মাল
-
টুপি, মোজা, গ্লাভস
-
নড়াচড়া করতে যেন অসুবিধা না হয়
ছোট এক্সেসরিজ—কিন্তু খুব জরুরি
-
উষ্ণ টুপি বা বিনি
-
স্কার্ফ/মাফলার
-
গ্লাভস
-
মোটা মোজা
বাংলাদেশের মতো হালকা শীতে কী পরবেন
বাংলাদেশে সাধারণত শীত কম থাকে। তাই—
-
হালকা সোয়েটার বা হুডি
-
শাল বা মাফলার
-
ভোর ও রাতে অতিরিক্ত লেয়ার যথেষ্ট
কিছু গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
-
অতিরিক্ত টাইট পোশাক এড়িয়ে চলুন
-
ভেজা পোশাক দ্রুত বদলান
-
উলের পোশাক ধোয়ার নিয়ম মেনে চলুন
উপসংহার
শীতে পোশাক বাছাই মানে শুধু ঠান্ডা এড়ানো নয়—এটা নিজের ব্যক্তিত্ব প্রকাশেরও সুযোগ। সঠিক লেয়ারিং, আরামদায়ক ফ্যাব্রিক এবং উপযুক্ত এক্সেসরিজ ব্যবহার করলে পুরো শীতটাই হয়ে উঠতে পারে উষ্ণ, নিরাপদ ও স্টাইলিশ।
শীতের পোশাক, শীতে কি পরবেন, শীতের ড্রেস, শীতকালীন ফ্যাশন, winter dress bangla, winter tips bangla




